প্রসঙ্গত, ২০১১-তে যাদবপুর কেন্দ্র থেকেই পরাজিত হয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য৷
১৯৮২ সাল থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় কেন্দ্র থেকেই টানা জিতে
এসেছেন সূর্যকান্ত৷ ২০১১তে রাজ্যের প্রায় সর্বত্র জায়গায় যখন ঘাসফুল ফুটেছে তখনও
নিজের জয় ধরে রেখেছিলেন সিপিএমের এই বর্ষীয়ান নেতা৷ তবে সিপিএমের একাংশ
জানাচ্ছে, এবার ওই কেন্দ্রে জয় নিয়ে নিশ্চিত নন খোদ সূর্যকান্ত৷ তাই তিনি
নারায়ণগড় কেন্দ্রে প্রার্থী হতে নারাজ৷তবে দলের অপর অংশ মনে করছে, যেহেতু
সূর্যবাবুকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হয়েছে তাই তিনি যদি কলকাতার কোনও একটা
কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন তাহলে এখানে বেশি সময় দিতে পারবেন৷তাই একসময়ে ‘লালদূর্গ’ হিসেবে পরিচিত
যাদবপুর থেকেই সূর্যকান্ত মিশ্রের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল৷
সূর্যকান্ত মিশ্র ছাড়াও প্রাক্তন হেভিওয়েট মন্ত্রীদের মধ্যে এবার
অশোক ভট্টাচার্য শিলিগুড়ি থেকে প্রার্থী হতে পারে বলে জানা গিয়েছে৷বর্তমানে তিনি
শিলিগুড়ি পুরনিগমের মেয়র৷সূত্রের খবর, প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে সুশান্ত
ঘোষের নাম৷তবে সোমবারই পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করছে না সিপিএম৷ এদিন বাম শরিকদের
প্রার্থী তালিকা নিয়ে সকালে হাজির হতে বলা হয়েছে৷জানা গিয়েছে, বেশ কিছু আসন
আপাতত কংগ্রেসের জন্য ছেড়ে রাখছে সিপিএম৷ তবে কোন আসন কংগ্রেসকে ছাড়া হবে তা
এখনও নির্দিষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না আলিমুদ্দিন স্ট্রিট৷ প্রদেশ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার
পরই পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করবে সিপিএম৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন