রবিবার, ৬ মার্চ, ২০১৬

বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে ইতিহাস সৌমজিৎ-মৌমার


রবিবাসরীয় সকালে কুয়ালা লামপুরে ইতিহাস সৃষ্টি করল ভারতীয় প্যাডলাররা৷পুরুষ ও মহিলা দু’বিভাগেই জয় পেল ভারত৷টেবিন টেনিসের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে সোনা নিয়েই দেশে ফিরছেন সৌমজিৎ ঘোষ ও মৌমা দাসরা৷
শেষ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দলগত প্রয়াসে ভারতের এল দু’টি সোনা৷গতকালই মৌমা দাস ও মনিকা বাত্রারা লুক্সেমবার্গকে ৩-১ হারিয়েছে মহিলাদের ফাইনালে৷মৌমা ১১-১, ১১-৪, ১৩-১১ ব্যবধানে হারিয়েছেন ড্যানিয়েলা কোনসব্রাককে৷মনিকা হারালেন টেসি গোন্ডেরিঙ্গারকে৷মনিকার পক্ষে ফল ১১-৬, ১১-২, ৯-১১, ১৩-১১৷অন্যদিকে শারাহ ডে নুটে ৪-১১, ৯-১১, ৯-১১ ব্যবধানে হারিয়েছেন কে শামিনিকে৷মনিকা ফের ড্যানিয়েলাকে ১১-৫, ১১-৪, ১১-৮ হারান৷
অন্যদিকে রবিবার সৌমজিৎ ঘোষ ও হরমিত দেশাইরা ৩-২ হারাল ব্রাজিলকে৷ হুগো ক্যালডেরানো হারান সৌমজিৎকে৷হুগোর পক্ষে ফল ১৩-১৫, ৪-১১, ৭-১১৷হরমিত জেতেন কাজুও মাতসুমোতোর বিরুদ্ধে৷হরমিতের পক্ষে ফল ৩-১১, ১১-৮, ১১-৮, ৮-১১, ১১-৯৷অন্যদিকে অ্যান্থনি অমলরাজ থিয়াগো মনটেরিওর কাছে ধরাশায়ী হন৷থিয়াগো জেতেন ১১-৮, ৭-১১, ১১-৫, ৯-১১, ৯-১১৷সৌমজিৎ হারালেন মাতসুমোতেকে৷শিলিগুড়ির ছেলের পক্ষে ফল ১১-৬, ১৪-১২, ১১-৯৷হরমিত হারিয়েছেন হুগোকে৷হরমিতের পক্ষে ফল ৪-১১, ১১-৫,১৫-১৩,১১-৬৷

কানাইয়া কুমার বিকারগ্রস্ত: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী



কলকাতা: জেএনইউয়ের ছাত্র সংসদের নেতা কানাইয়া কুমার মানসিক বিকার গ্রস্ত। তাঁকে হিরো ভাবা ঠিক নয়। রবিবার কলকাতায় নির্বাচনী প্রচারে এসে এমনই মন্তব্য করলেন দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রাজীব প্রতাপ রূডি।

এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজীব প্রতাপবাবু বলেছেন, "বাম দলগুলি বিশ্বের বেশিরভাগ প্রান্তেই শেষ হয়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক জগতে তাঁদের আর জায়গা হচ্ছে না। বামেরা এখন শুধু বিশ্ববিদ্যালয়, সংবাদ মাধ্যম আর স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উপর ভিত্তি করে টিকে আছে।" এইসব ক্ষেত্রগুলির মধ্যে দিয়ে বামেরা সাধারণ মানুষদের প্রভাবিত করতে চাইছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে কানাইয়া কুমারকে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছে সিপিএম। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, "কানাইয়া কুমার আসলে মানসিক বিকারগ্রস্ত। এইরকম একজনকে দিয়ে ভোটের বৈতরণী পার করতে চাইছে সিপিএম।" জেএনইউ ক্যাম্পাসে কানাইয়ার বক্তব্য কোনও সুস্থ মানসিকতার মানুষ সহ্য করতে পারবে না বলেও দাবি করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে তাঁর দাবি, "রাষ্ট্রদ্রোহ আইন এনডিএ সরকার তৈরি করেনি।" রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কোনও ক্রিয়াকলাপ কখনই মেনে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রাজীব প্রতাপ রূডি।

এক ঝলকে শনিবার রাতের সব বড় ম্যাচ


রোনাল্ডো ঝড়ে উড়ে গেল সেল্টা
শনিবার ঘরের মাঠে বিপক্ষকে ৭-১ গোলে চূর্ণ করল দশবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী দলটি৷ পর্তুগিজ তারকার চার গোল করার পাশাপাশি গোল পেলেন ‘বিবিসি’ নামে খ্যাত ত্রয়ীর আরেক ফুটবলার গ্যারেথ বেলও৷ এদিনই চোট সারিয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি৷ যদিও চোটের কারণেই দলের কোচ এদিন পাননি ফরাসি ফুটবলার করিম বেঞ্জিমাকে৷ কিন্তু তাতে কোনও অসুবিধা হয়নি রিয়ালের৷ দলের হয়ে বাকি গোলদু’টি করেন জেসে রড্রিগেজ ও পেপে৷ লিওনেল মেসি গত ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করেছেন৷ এদিন যেন তারই পাল্টা দিলেন রোনাল্ডো, এমনটাই মনে করছে ফুটবলমহল৷ সেল্টার হয়ে একমাত্র গোলটি আসপাসের৷
রবিবার ম্যাচের প্রথমার্ধে তেমন ভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি রিয়াল৷ ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে ৪১ মিনিটে পর্তুগিজ ডিফেন্ডার পেপের সৌজন্যে৷ ইস্কোর কর্নারে দুর্দান্ত হেডে সেল্টা গোলকিপারকে পরাস্ত করেন তিনি৷ প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে স্বমহিমায় ফেরে রিয়াল মাদ্রিদ৷
৫০ মিনিটে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে বাঁক খাওয়ানো শটে গোল করে দলকে দ্বিতীয় গোল এনে দেন রোনাল্ডো৷ এই গোলের সাত মিনিট পরে ফের গোল করেন সিআর সেভেন৷ বক্সের ঠিক বাইরে ইস্কোকে ফাউল করায় ফ্রিকিক পায় রিয়াল৷ সেই ফ্রিকিক থেকেই বহুদিন পর গোল পেলেন রোনাল্ডো৷ এরপর প্রায় একই জায়গা থেকে আরও একটি ফ্রিকিক নেন ‘দ্য বিস্ট’৷ কিন্তু সেল্টা গোলরক্ষক অবিশ্বাস্য দক্ষতায়  তা বাঁচিয়ে দেন৷ ৬৪ ও ৭৬ মিনিটে আরও দুটি গোল করেন ক্রিশ্চিয়ানো৷ ৫-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও আরও দুটি গোল করে রিয়াল৷ ৭৮ মিনিটে একক দক্ষতায় জেসে এবং ৮১ মিনিটে বহুদিন পর চোট সারিয়ে মাঠে নেমে বেল গোল পান৷
এই ম্যাচে মাত্র ১৪ মিনিটে হ্যাটট্রিক করার পাশাপাশি চার গোল করায় সুয়ারেজের থেকে দু’গোল বেশি করে লা লিগায় সর্বোচ্চ গোলদাতার (২৭) আসন ছিনিয়ে নিলেন রোনাল্ডো৷ পাশাপাশি স্প্যানিশ লিগে আড়াইশো(২৫২) গোলের নজিরও গড়লেন তিনি৷

................................................................................................................................................................
সিটির জয়ে চেলসির ড্র 
ইপিএলে শেষ তিন ম্যাচে জয়ের খরা অবশেষে কাটিয়ে উঠল ম্যাঞ্চেস্টার সিটি৷ ঘরের মাঠে সের্জিও আগুয়েরোর জোড়া গোলের সুবাদে ৪-০ গোলে তাঁরা হারাল অ্যাস্টন ভিলাকে৷ আগুয়েরো ছাড়া বাকি গোল দুটি করেন ইয়া ইয়া ত্যুরে ও রহিম স্টার্লিং৷ অন্যদিকে, অপর একটি ম্যাচে ঘরের মাঠে এগিয়ে থেকেও জিততে পারল না চেলসি৷ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে স্টোক সিটির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করল তাঁরা৷


শনিবার রাতে প্রথমার্ধে গোল না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে জ্বলে ওঠে ম্যানুয়েল পেলিগ্রিনির ছেলেরা৷ ৪৮ মিনিটে ত্যুরে দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন৷ আগুয়েরো ও দাভিদ সিলভার যুগলবন্দি থেকে বল পেয়ে গোল করতে কোনও ভুল করেননি ত্যুরে৷ এর ঠিক দু’মিনিট পর আগুয়েরো একক দক্ষতায় নিজের প্রথম ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন৷ ৬০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান সেই আর্জেন্তাইন সুপারস্টারই৷ অ্যাস্টন ভিলার কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন রহিম স্টার্লিং৷ ৬৬ মিনিটে দলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন তিনি৷
অপর ম্যাচে, ঘরের মাঠে এক গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল গাস হিডিঙ্কের ছেলেদের৷ এদিন শুরু থেকেই আক্রমন-প্রতি আক্রমনে খেলা চলতে থাকে৷ কিন্তু দু’দলের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় গোল করতে পারেননি কেউই৷ শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধের ৩৭ মিনিটে ‘দ্য ব্লুজ’দের গোল করে এগিয়ে দেন বার্ট্রান্ড ট্রাওরে৷ প্রথমার্ধে এক গোলে পিছিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে স্টোক সিটি৷ কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান চেলসি গোলকিপার কুর্তোয়া৷ শেষ পর্যন্ত ৮৫ মিনিটে শাকিরির ক্রস কুর্তোয়া বাঁচিয়ে দিলেও ফিরতি বল দুর্দান্ত হেড করে জালে পাঠিয়ে দেন স্টোক সিটির স্ট্রাইকার দিউফ৷
এই ড্রয়ের ফলে লিগ টেবিলে দশম স্থানে রয়েছে চেলসি৷ তাঁদের পয়েন্ট ২৯ ম্যাচে ৪০৷ সমসংখ্যক ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে রয়েছে স্টোক সিটি৷এছাড়া অ্যাস্টন ভিলাকে ৪-০ গোলে হারানো ম্যাঞ্চেস্টার সিটি ২৮ ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে রয়েছে৷

....................................................................................................................................................................অপ্রতিরোধ্য অুপ্রতিরোধ্য লেস্টার, ড্র আর্সেনালের

লেস্টার সিটি প্রিমিয়র লিগ জয়ের সম্ভাবনা ফের একবার উজ্জ্বল করল৷ শনিবার টুর্নামেন্টের ১৭তম জয় ছিনিয়ে লিগ টেবিলে শীর্ষেই থাকল তারা৷ ওয়াটফোর্ডের বিরুদ্ধে রিয়াদ মাহরেজের গোলে ১-০ জয় ছিনিয়ে এনেছে লেস্টার সিটি৷ ২৯ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে লিগের মগডালে রয়েছে এই মরশুমের সবচেয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেওয়া দল৷


অন্যদিকে, টটেনহ্যামের সঙ্গে ২-২ ড্র করল ওয়েঙ্গারের আর্সেনাল৷ এদিন রামসের গোলে ৩৯ মিনিটেই এগিয়ে যায় আর্সেনাল৷ কিন্তু ওয়েঙ্গারের মুখের হাসি প্রথমার্ধ পর্যন্তই স্থায়ী হয়৷ দ্বিতীয়ার্ধেই পাল্টা দেয় টটেনহ্যাম৷ দ্বিতীয়ার্ধের দু’মিনিটের মধ্যে দু’গোল দিয়ে দেয় টটেনহ্যাম৷ আল্ডারওয়াইর্ল্ড ও হেনরি কেন যথাক্রমে ৬০ ও ৬২ মিনিটে গোল করে ব্যবধান বাড়ান৷ কিন্তু ৭২ মিনিটে আর্সেনালকে অবধারিত হারের হাত থেকে বাঁচিয়ে দেন অ্যালেক্সিস স্যাঞ্চেজ৷ এই ম্যাচের ২৯ ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে টটেনহ্যাম দু’নম্বরে ও সমসংখ্যক ম্যাচে তিন পয়েন্ট কম নিয়ে আর্সেনাল তিন নম্বরে৷