মঙ্গলবার, ৮ মার্চ, ২০১৬

Clashes Kill 55 Near Libyan Border: Report

Tunis: Tunisian Prime Minister Habid Essid says the death toll from clashes between Tunisian forces and extremist attackers near the Libyan border has risen to 55, including 36 attackers.

Essid says seven civilians and 12 members of Tunisia’s security forces also died, and 17 others were injured.

No group claimed immediate responsibility for Monday’s attack in the city of Ben Guerdane. Essid told a press conference on Tuesday that about 50 gunmen – most of them Tunisians – took part to the attack.

Essid says the gunmen targeted a police station and military facilities in Ben Guerdane after launching their attack from a nearby mosque. He adds that seven attackers were arrested and gave information that led to the discovery of a weapons cache.

AFP

মনেপ্রাণে নারী দিবসের বিলুপ্তি চাইছেন এখন তসলিমা



স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নারী দিবস তাঁর কাছে দুঃখের৷ এই দিবস তাঁকে কখনও আনন্দ দেয় না৷ কারণ, তিনি মনে করেন, প্রাপ্য অধিকারের জন্য নারীদের এখনও চিৎকার করতে হচ্ছে৷ আর, তাই, তিনি মনেপ্রাণে নারী দিবসের বিলুপ্তি চাইছেন৷
তিনি, ‘লজ্জা-র শিল্পী’৷ কোনও কোনও মহলের কাছে তিনি ‘বিতর্কিত লেখিকা’ হিসেবেও পরিচিত৷ তিনি, তসলিমা নাসরিন৷ এবং, আট মার্চ যে সময়ে গোটা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের, বিভিন্ন অংশের নারীরা বিভিন্ন উপায়ে উদযাপনে মেতে উঠেছেন, তেমন সময়ে, কার্যত আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের বিরোধিতাও করলেন তিনি আপন ঢঙে৷
মঙ্গলবার, আট মার্চ তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে তসলিমা নাসরিন এমনই মন্তব্য পেশ করেছেন, নারী দিবস তাঁকে কখনও আনন্দ দেয় না৷ কারণ, এই দিনটি তাঁর কাছে অত্যন্ত দুঃখের৷ আর, তার কারণ হিসেবে লেখিকার যুক্তি, প্রাপ্য অধিকারের জন্য নারীদের এখনও চিৎকার করতে হচ্ছে৷ এ দিন ফেসবুকে ‘লজ্জা-র শিল্পী’র এমন মন্তব্য প্রকাশ পেয়েছে, সেই কতকাল আগে, সম্ভবত ১০৫ বছর আগে নির্যাতিত, নিপীড়িত, অত্যাচারিত ও অসম্মানিত না হওয়ার অধিকার চেয়েছিলেন নারীরা৷ সেই থেকে এখনও প্রতি বছর এই দিনে একই অধিকার চাওয়া হয়৷ কারণ হিসেবে ফেসবুকের ওই মন্তব্যে তাঁর এমনই ব্যাখ্যা, নারী হয়ে জন্ম নেওয়ার অপরাধে, নারীরা এখনও নির্যাতিত, নিপীড়িত, অত্যাচারিত এবং অসম্মানিত হয়ে চলেছেন৷image.08
বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনায় অধিকার, গণতন্ত্রের পক্ষে জোরদার সওয়াল করে চলেছেন তসলিমা নাসরিন৷ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনায় প্রকাশ পেয়ে চলেছে কলকাতায় তাঁর আর ফিরতে না পারার যন্ত্রণা-ও৷ এ দিন ফেসবুকে তসলিমা নাসরিন এমনও বলেছেন, ‘আমরা নারী দিবস পালন করছি, এর অর্থ আমরা নারীরা আজও বঞ্চিত, লাঞ্ছিত৷ যেদিন সমানাধিকার পেয়ে যাব, সেদিন থেকে এই দিবসটির আর প্রয়োজন পড়বে না৷ সর্বান্তকরণে দিবসটির বিলুপ্তি চাই আমি৷’ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে যেভাবে এই দিনটির বিলুপ্তি চেয়েছেন তসলিমা নাসরিন, সেই বিষয়েও বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন ধরনের মতামত প্রকাশ পাচ্ছে৷ তবে, ফেসবুকেই আবার লেখিকার মন্তব্যের পক্ষে জোরদার সাড়াও মিলছে তাঁর-ই অনুরাগীদের তরফে৷ তেমনই, কোনও কোনও মহল থেকে এমনও বলা হচ্ছে, নারী এবং পুরুষকে পৃথক পরিচয়ে আবদ্ধ না রেখে যখন উভয় তরফ-ই মানুষ হিসেবে পরিচিতি পাবে, তখন আর হয়তো এমন দিবস উদযাপনের প্রয়োজনও দেখা দেবে না৷

বাড়ি থেকে কাজের সুযোগ পাবেন মহিলা কর্মীরা

মহিলারা যাতে বাড়ি থেকেই কাজ করতে পারেন, সেই সুবিধা দিতে তৎপর হল আইসিআইসিআই ব্যাংক। তার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে অত্যাধুনিক ফেস রেকগনিশন টেকনোলজি। এর মাধ্যমে বাড়ির ল্যাপটপে বসে কাজ করলেও নিরাপত্তার কোনও খামতি হবে না। এক বছর মহিলাদের এইভাবে বাড়িতে বসে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছে আইসিআইসিআই। এই প্রথম কোনও ব্যাংক এই অভিনব সুযোগ দিচ্ছে মহিলাদের জন্য।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আগেই এই উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। আইসিআইসিআই-এর এমডি ও সিইও চন্দা কোচার বলেন, একটি অন্তবর্তী সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বেশির ভাগ মহিলারা চাকরি ছেড়ে দেন সন্তানের জন্য। সেই কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ব্যাংকের কাছে ১২৫টি আবেদন এসে পৌঁছেছে। ৫০ জনকে দেওয়া হয়েছে এই সুযোগ। শীঘ্রই প্রায় ৫০০ মহিলাকে এই বিশেষ সুযোগ করে দেবে আইসিআইসিআই। এমনকী, এক মহিলাকর্মী রেজিগনেশন দিয়ে আবার ফিরিয়ে নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন কোচার।

এই ব্যাংকের মোট ৭৩,০০০ কর্মীর মধ্যে ৩০ শতাংশ মহিলা।